রসিদ বই, বকেয়ার খাতা আর হিফজের পাতা, এবার সব এক প্যানেলে
ভর্তি থেকে বেতন আদায়, হিফজের সবক থেকে এতিমখানা ও জাকাতের হিসাব: সবকিছু চলবে স্বচ্ছভাবে। টাকার কোনো হিসাব মুছে ফেলা যায় না; ভুল হলে কারণ লিখে বাতিল করতে হয়, তাই গরমিলের সুযোগ নেই।
ফোনে যোগাযোগ করুন +8801806969844· ডেমো দেখতে কোনো নিবন্ধন লাগে না


এডুরেন্স ক্লাউড সফটওয়্যার ও মোবাইল অ্যাপ ইন্টারফেস
২৬টি
কোর মডিউল, পুরো মাদ্রাসার পরিচালনায়
৩৩টি
গোছানো মেনু, ৮টি প্রধান বিভাগে
১২০+
প্রিন্টযোগ্য ফর্ম, রসিদ, সনদ ও মার্কশিট
১৫ সেকেন্ড
লাগে তাৎক্ষণিক ফ্রি ডেমো খুলতে
এসব ঝামেলা কি আপনার মাদ্রাসাতেও হচ্ছে?
নিচের বাটনে ক্লিক করে দেখুন, খাতা-কলমের এই প্রতিদিনের জটিলতাগুলো Edurence-এ কীভাবে এক নিমিষেই মিটে যায়।
মাস শেষে কার কত বেতন বাকি, খাতা উল্টে খুঁজতে খুঁজতেই কয়েক দিন পার হয়ে যায়।
হিফজখানায় কোন ছাত্র কোন পারায় পড়ছে, উস্তাদ বদল হলে নতুন উস্তাদ আগের পড়ার কোনো খবর পান না।
কালেক্টর বাইরে রশিদ বই নিয়ে গেলে কোন রশিদে কত টাকা তুললেন, দিন শেষে ক্যাশে হিসাব মেলানো কঠিন হয়।
কাউন্টারে ফি নেওয়ার পর হিসাবে গরমিল হলে কে কী ভুল লিখেছিল তা বোঝার আর কোনো উপায় থাকে না।
পরীক্ষার পর সব শিক্ষকের খাতার নম্বর এক করে ট্যাবুলেশন শিট আর রেজাল্ট বানাতে রাতের পর রাত জাগতে হয়।
বোর্ডিংয়ে কে কয় বেলা খেল আর কত টাকার বাজার হলো, মাস শেষে মিল রেট বের করতে খাতা-কলমে মাথা নষ্ট হয়।
সাধারণ সফটওয়্যারে যা পাওয়া যায় না
জাকাত, লিল্লাহ ও ওয়াকফ: সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা তহবিল
সাধারণ স্কুলের অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যারে জাকাত বা লিল্লাহর কোনো বালাই নেই। Edurence তৈরি করা হয়েছে মাদ্রাসার শরয়ী ও প্রশাসনিক চাহিদার কথা মাথায় রেখে।
- জাকাত, ফিতরা, সদকা, লিল্লাহ, ওয়াকফ, বোর্ডিং: প্রতিটির নিজস্ব তহবিল ও আলাদা ব্যালেন্স
- জাকাতের সুরক্ষা: জাকাত ফান্ডের টাকা শুধু নির্ধারিত উপযুক্ত খাতেই খরচ করা সম্ভব
- কাউন্টার ক্যাশিয়ার দিন শেষে নোট গুনে হিসাবরক্ষককে বুঝিয়ে দেন, রসিদ ও স্লিপের প্রমাণ থাকে
- এতিম স্পন্সরশিপ আর নিয়মিত দাতাদের মাসিক অঙ্গীকারের বকেয়া সহজে ট্র্যাকিং
হিফজের খাতা: উস্তাদরা যেভাবে অভ্যস্ত, ঠিক সেভাবেই
সবক, সাত সবক, আমুখতা, শবিনার পারা আর লোকমা। হাফেজ সাহেবরা যেভাবে প্রতিদিন ডায়েরি লেখেন, সফটওয়্যারও সেভাবেই চলে।
- এক পাতায় পুরো ক্লাসের দৈনিক এন্ট্রি, টাইপ করে Enter চাপলেই দ্রুত সংরক্ষণ
- মাসের শেষে হাফেজিয়া কিতাবের আদলে মাসিক পাতা, হিজরি তারিখসহ এ৪ সাইজে প্রিন্ট
- উস্তাদ বদল হলেও কোনো ভয় নেই, ছাত্রদের এক ক্লিকে নতুন শিক্ষকের অধীনে দেওয়া যায় এবং আগের ইতিহাস অক্ষুণ্ণ থাকে
- নাজেরা বিভাগে লাহনে জ্বলী ও খফীর হিসাব রাখা যায়, অভিভাবকও সন্তুষ্ট থাকেন
টাকার হিসাবে কেউ চাইলেও কোনো গরমিল করতে পারবে না
মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে। কিন্তু ভুল ঢাকতে গিয়ে আসল হিসাব মুছে ফেলার কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি টাকার স্বচ্ছ ইতিহাস থাকে।
- কোনো লেনদেন ডিলিট করা যায় না; ভুল হলে কারণ লিখে বাতিল করতে হয় এবং উল্টো এন্ট্রি পড়ে হিসাব ঠিক থাকে
- বড় অঙ্কের খরচে দ্বিতীয় ব্যক্তির অনুমোদন বাধ্যতামূলক; নিজের খরচ নিজে অনুমোদন করা অসম্ভব
- ফান্ডে টাকা না থাকলে অতিরিক্ত খরচ বা বেতন দিয়ে ঘাটতি তৈরি করা আটকায়
- কে কখন কোন তথ্য বদলেছেন তা অ্যাক্টিভিটি লগে থাকে; অডিট শেষে হিসাব তালাবদ্ধ করে রাখা যায়
২৬টি কোর মডিউল, ৮টি প্রধান বিভাগে সাজানো
আপনার মাদ্রাসার যে বিভাগের কাজ দেখতে চান, সেটিতে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন।
ভর্তি থেকে বিদায়: ছাত্রের পুরো জীবনবৃত্তান্ত এক ঠিকানায়
দাখেলা নম্বর, অভিভাবক ও ভাইবোনের লিংক, ফি কাঠামো, কিউআর আইডি কার্ড আর সনদ। এক ক্লিকেই সব তথ্য চোখের সামনে।
সব ফিচারের তালিকাঅনলাইন ও সরাসরি ভর্তি
অভিভাবকের পাঠানো অনলাইন ভর্তি ফর্ম এক ক্লিকে অনুমোদন দিন, অথবা কাউন্টারে সরাসরি ভর্তি করে তাৎক্ষণিক রসিদ ও ফর্ম প্রিন্ট নিন।
দাখেলা নম্বর ও অঙ্গীকারনামা
ভর্তির ক্রমিক নম্বর নিজে থেকেই বসে। মাদ্রাসার নিজস্ব প্যাড ও লোগোসহ অঙ্গীকারনামা ও ভর্তি ফর্ম সাথে সাথে প্রিন্ট করা যায়।
আবাসিক, অনাবাসিক ও এতিম
ছাত্রের ধরন ও এতিম চিহ্নিত থাকে আলাদাভাবে। আবাসিক ধরন পরিবর্তন করলে আগের ধার্য করা ফি নিয়ে সিস্টেম আগেই সতর্কবার্তা দেয়।
কিউআর কোডযুক্ত ডিজিটাল আইডি কার্ড
পুরো ক্লাসের আইডি কার্ড এক ক্লিকে একসাথে প্রিন্ট করুন। কার্ড হারালে নতুন কিউআর দিলে পুরনো কোডটি সাথে সাথেই অচল হয়ে যায়।
এক্সেল থেকে পুরনো ডেটা ইমপোর্ট
খাতা বা আগের সফটওয়্যার থেকে ছাত্র, অভিভাবক ও পুরনো বকেয়ার হিসাব এক্সেলে তুলে দিন। ভুল থাকলে সফটওয়্যার আগেই শুধরে দেয়।
ডিজিটাল ছুটির পাস ও প্রত্যয়ন
অভিভাবকের আবেদনের পর প্রধান শিক্ষক মঞ্জুর করলে ছুটির পাস প্রিন্ট হয়। টিসি বা প্রত্যয়নপত্র দিতে সিরিয়াল নম্বরসহ তৈরি হয়।
যার যে দায়িত্ব, তিনি শুধু সেটাই দেখবেন
বাটন লুকিয়ে রাখাই শেষ কথা নয়, অনুমতি প্রতিটি ক্ষেত্রে সার্ভারেও যাচাই হয়। শিক্ষক টাকার হিসাব দেখতে পান না, আর হিসাবরক্ষক ছাত্রের পরীক্ষার নম্বর বদলাতে পারেন না।
তাঁর ড্যাশবোর্ডে যা থাকে
আজকের মাদ্রাসার পুরো চিত্র এক নজরে
- আজ কতজন ছাত্র এলো, কত টাকা আদায় হলো, মোট বকেয়া কত: সব ড্যাশবোর্ডে
- জরুরি করণীয় ঘণ্টা: অপেক্ষমাণ ভর্তি, বড় খরচের আবেদন ও ছুটির তালিকা
- ছাত্রদের ছুটির আবেদন মঞ্জুর বা নাকচ করার চূড়ান্ত ক্ষমতা
- কে কখন কী বদল করেছেন, অ্যাক্টিভিটি অডিট লগে সব সময় স্পষ্ট রেকর্ড
সন্তানের সব খবর অভিভাবকের হাতের মুঠোয়
উপস্থিতি, পরীক্ষার রেজাল্ট, বকেয়া ফি কিংবা জরুরি নোটিশ: অভিভাবক ঘরে বসেই মোবাইলে জেনে যাবেন। অফিসে এসে আর লাইন ধরতে হবে না।
- মাদ্রাসার নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ে লগইনমাদ্রাসার কোড দিলে আপনার মাদ্রাসার নাম ও লোগোসহ লগইন পাতা চলে আসে।
- তাৎক্ষণিক হাজিরা ও রেজাল্ট নোটিফিকেশনছাত্র অনুপস্থিত হলে বা পরীক্ষার ফল প্রকাশ হলে অভিভাবক সাথে সাথেই মোবাইলে নোটিফিকেশন পেয়ে যান।
- মোবাইলের ক্যামেরায় দ্রুত QR হাজিরাউস্তাদরা ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ছাত্রের আইডি কার্ড স্ক্যান করে মুহূর্তের মধ্যে ক্লাসের হাজিরা নিতে পারেন।
- SMS খরচে বিপুল সাশ্রয়যাঁদের অ্যাপ রয়েছে তাঁদের নোটিফিকেশন যায় সম্পূর্ণ ফ্রিতে, বাকিদের যায় SMS। মাদ্রাসার হাজার হাজার টাকা বাঁচে।
যেভাবে মাদ্রাসায় চালু করবেন
১৫ সেকেন্ডে ফ্রি ডেমো দেখুন
কোনো মোবাইল নম্বর বা ক্রেডিট কার্ড লাগবে না। ১৫ সেকেন্ডেই নমুনা ডেটাসহ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল তৈরি হবে। নিজে রসিদ কেটে ও হিফজের এন্ট্রি দিয়ে দেখুন।
পুরনো সব ডেটা এক্সেলে আনুন
ছাত্র, অভিভাবক, শিক্ষক, দাতা ও আগের বকেয়ার হিসাব এক্সেল শিট থেকে এক ক্লিকে সিস্টেমে তুলে দিন। কোথাও ভুল থাকলে সফটওয়্যার আগেই শুধরে দেয়।
মাদ্রাসার ঠিকানায় শুরু করুন
আপনার মাদ্রাসার নিজস্ব ওয়েব ঠিকানায় (যেমন jamia.edurence.com) প্যানেল লাইভ হবে। কোনো অ্যাপ ইনস্টলের ঝামেলা নেই, যেকোনো ব্রাউজারেই চলে।
মাদ্রাসার নিজস্ব প্যাডেই সব প্রিন্ট: রসিদ, আইডি কার্ড, রেজাল্ট ও প্রত্যয়নপত্র


ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের সাথে এবার মাদ্রাসার নিজস্ব ডাইনামিক ওয়েবসাইট,
পাচ্ছেন ৭০% পর্যন্ত বিশেষ অফার!
মাদ্রাসা পরিচালকদের মনে যেসব প্রশ্ন আসে
সফটওয়্যারটির সক্ষমতা ও বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিন।
এটি কি ইন্টারনেট ছাড়া বা অফলাইনে চলবে?
না। Edurence একটি আধুনিক ক্লাউড সফটওয়্যার, তাই ব্যবহারের সময় ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন। তবে আপনার কম্পিউটারে কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হবে না। কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইলের সাধারণ ব্রাউজারে যেকোনো জায়গা থেকে অনায়াসে চালানো যায়।
কওমি, আলিয়া নাকি স্কুল, কোন মাদ্রাসার জন্য উপযোগী?
কওমি, আলিয়া, সাধারণ স্কুল এবং ইসলামিক কিন্ডারগার্টেন: সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্যই এটি উপযোগী। হিফজখানা ও নাজেরার জন্য এতে রয়েছে বিশেষায়িত ট্র্যাকার, আর আলিয়া মাদ্রাসার জন্য রয়েছে বোর্ড পরীক্ষার নম্বর ও শ্রেণি বিন্যাস। এক শাখার ছোট মাদ্রাসা থেকে শুরু করে বহু শাখার বড় জামিয়াও এতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে।
কেনার আগে সফটওয়্যারটি বাস্তবে চালিয়ে দেখার সুযোগ আছে কি?
অবশ্যই। কোনো নিবন্ধন বা মোবাইল নম্বর ছাড়াই মাত্র ১৫ সেকেন্ডে একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্রি ডেমো প্যানেল তৈরি করে চালিয়ে দেখতে পারেন। সেখানে নমুনা ডেটা দিয়ে হাজিরা নেওয়া, রসিদ কাটা এবং হিফজের এন্ট্রি দিয়ে দেখতে পারবেন।
পুরনো খাতার হিসাব বা এক্সেল ফাইলের ডেটা কি সফটওয়্যারে তোলা যাবে?
হ্যাঁ। আপনার ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকের ফোন, শিক্ষক-কর্মচারী, দাতা এবং ছাত্রদের পুরনো বকেয়ার হিসাব এক্সেল বা সিএসভি ফাইল থেকে সহজে সফটওয়্যারে তুলে নেওয়া যায়। সিস্টেমে তোলার আগেই ফাইলটিতে কোনো ভুল আছে কিনা তা স্ক্রিনে দেখিয়ে দেয়। আপনি নিশ্চিত করলে তবেই ডেটা সিস্টেমে যুক্ত হয়।
মাদ্রাসার তথ্যের নিরাপত্তা কেমন? ডেটা কি আমাদের হাতে থাকবে?
আপনার মাদ্রাসার সব ডেটার পূর্ণ মালিক কেবল আপনি। যেকোনো সময় এক ক্লিকে সম্পূর্ণ ডেটা জিপ ফাইলে নিজের কম্পিউটারে নামিয়ে সংরক্ষণ করতে পারবেন। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের লগইন দিয়ে আপনার তথ্য দেখার কোনো সুযোগ নেই।
ভুলবশত কোনো বাটনে দুবার চাপ পড়লে কি দুবার টাকা কাটবে?
না। সফটওয়্যারটিতে ডাবল-ক্লিক সুরক্ষা দেওয়া আছে। ফি আদায়, খরচ বা এসএমএস পাঠানোর বাটনে দুবার চাপলেও কাজ একবারই হবে। তাছাড়া কোনো আর্থিক লেনদেন কখনো মুছে ফেলা যায় না; ভুল হলে কারণ লিখে বাতিল করতে হয়, যাতে পুরো হিসাবের স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
বিকাশ বা নগদ থেকে অভিভাবকরা কি সরাসরি ফি দিতে পারবেন?
অভিভাবকরা মাদ্রাসার বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফি পাঠিয়ে অ্যাপ বা পোর্টাল থেকে লেনদেন নম্বর ও স্ক্রিনশট জমা দেন। আপনার হিসাবরক্ষক সেটি ব্যাংকিং স্টেটমেন্টে মিলিয়ে দেখে এক ক্লিকে অনুমোদন করলেই রসিদ তৈরি হয়ে যায়। একই লেনদেন নম্বর দুবার ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
মোবাইল অ্যাপ দিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষকরা কী কী সুবিধা পাবেন?
অভিভাবকরা সন্তানের দৈনিক উপস্থিতি, বকেয়া ফি, পরীক্ষার রেজাল্ট ও জরুরি নোটিশ মুহূর্তেই নোটিফিকেশনের মাধ্যমে পেয়ে যান। অন্যদিকে শিক্ষকরা নিজের মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ছাত্রদের আইডি কার্ড স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডেই ক্লাসের হাজিরা নিতে পারেন।
কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজে একবার চালিয়ে দেখুন
ডেমো দেখতে কোনো রেজিস্ট্রেশন বা পেমেন্ট কার্ড লাগবে না। ১৫ সেকেন্ডেই তৈরি হবে ডেমো প্যানেল। ভালো লাগলে তবেই আমাদের সাথে কথা বলুন।














